basa12 কীভাবে তৈরি হলো
২০১৮ সালের কথা। বাংলাদেশের একদল তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী লক্ষ্য করলেন যে দেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী খেলা দেখেন, মাঠে উৎসাহ দেন — কিন্তু নিজের পছন্দের দলের হয়ে বেট রাখার জন্য সঠিক, নির্ভরযোগ্য একটা বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্ম নেই। বিদেশি সাইটগুলোতে বাংলা নেই, পেমেন্ট পদ্ধতি নেই বিকাশ বা নগদের, আর কাস্টমার কেয়ারে বাংলায় কথা বলার কোনো সুযোগ নেই।
এই ফাঁকটা পূরণ করতেই basa12-এর যাত্রা শুরু। শুরুটা ছিল ছোট — মাত্র কয়েক হাজার ব্যবহারকারী নিয়ে। কিন্তু লক্ষ্যটা ছিল পরিষ্কার: বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের ভাষায়, বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমে একটা বিশ্বমানের বেটিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।
প্রথম বছরেই basa12 বুঝে গেল — শুধু ক্রিকেট দিয়ে হবে না। ফুটবলপ্রেমীরা আছেন, কাবাডির ভক্তরা আছেন, লটারি খেলতে পছন্দ করেন এমন মানুষও আছেন। তাই ধীরে ধীরে প্ল্যাটফর্ম বাড়তে থাকল। এখন basa12-এ ৩০টির বেশি খেলার বাজার, ৬ ধরনের লটারি, শত শত ক্যাসিনো গেম — সব এক জায়গায়।
বাংলাদেশকে কেন্দ্রে রাখা
অনেক বড় বেটিং সাইট বাংলাদেশকে "বাজার" হিসেবে দেখে — কিন্তু basa12 বাংলাদেশকে "ঘর" হিসেবে দেখে। এই পার্থক্যটা ছোট মনে হলেও অনেক বড়। প্ল্যাটফর্মের প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি পেমেন্ট অপশন, প্রতিটি প্রোমোশন — সব কিছু বাংলাদেশের ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন জীবন মাথায় রেখে তৈরি।
basa12-এ ঢুকলে বোঝা যায় কেউ সত্যিকারের বাংলাদেশের কথা ভেবে এটা বানিয়েছে। BPL-এর সময় বিশেষ অডস বুস্ট, ঈদে রিলোড বোনাস, শীতকালীন ক্রিকেট সিজনে মেগা প্রোমোশন — এগুলো কোনো আন্তর্জাতিক টেমপ্লেট থেকে আসা না, এগুলো বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার ছন্দ দেখে তৈরি।